যেখানে এর আগের হিসাব বছরের একই সময়ে আয় হয়েছিল ৪ হাজার ৫১১ কোটি টাকা। কোম্পানিটির চলতি হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনায় এ তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে জিপিএইচ ইস্পাতের কর পরবর্তী নিট লোকসান হয়েছে ১০ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। যেখানে এর আগের হিসাব বছরের একই সময়ে ৩০ কোটি ৩১ লাখ টাকা নিট মুনাফা হয়েছিল। তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২২ পয়সা, যেখানে এর আগের হিসাব বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৬৩ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৫১ টাকা ৪৪ পয়সায়।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে জিপিএইচ ইস্পাতের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৫১ পয়সা। আগের হিসাব বছরে ইপিএস ছিল ১ টাকা ৭৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫১ টাকা ৭২ পয়সায়।
২০২৩-২৪ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে জিপিএইচ ইস্পাতের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৭৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫৮ পয়সায়। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫২ টাকা ৪৩ পয়সায়।
২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে জিপিএইচ ইস্পাতের ইপিএস হয়েছে ৫৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৪২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫৩ টাকা ৮ পয়সায়।
জিপিএইচ ইস্পাতের ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘এ১’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-৩’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত ব্যাংক ঋণের অবস্থা এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)।
২০১২ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত জিপিএইচ ইস্পাতের অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৪৮৩ কোটি ৮৮ লাখ ৩০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১ হাজার ৮৮৯ কোটি ২০ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৪৮ কোটি ৩৮ লাখ ৮৩ হাজার ৪৫৬। এর ৩০ দশমিক ২২ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৯ দশমিক ৪৩ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৫০ দশমিক ৩৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।